গোপালগঞ্জে রিকশা মার্কার কাণ্ডারী মুফতি শুয়াইব ইবরাহীম
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে আলোচনায়
গোপালগঞ্জে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন–২০২৬ কে সামনে রেখে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ব্যাপক আলোচনায় উঠে এসেছেন মুফতি শুয়াইব ইবরাহীম হাফিযাহুল্লাহ। রিকশা প্রতীকের কাণ্ডারী হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনীতিতে এক শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন।
মুফতি শুয়াইব ইবরাহীম বাঙালি মুসলিমদের বীরত্ব ও স্বাধীনতার প্রতীক, বারো ভূঁইয়ার অন্যতম নেতা ঈসা খাঁর বংশধর। স্বাধীন বাংলার প্রতাপশালী ভূঁইয়াদের উত্তরাধিকার বহনকারী এই আলেম গোপালগঞ্জেরই ভূমিপুত্র। ইতিহাস, ঐতিহ্য ও নেতৃত্ব—এই তিনের সম্মিলন তাঁর ব্যক্তিত্বকে করেছে আলাদা ও অনন্য।
নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতিতে অনেকের কাছে তিনি নতুন মুখ হলেও, নেতৃত্ব তাঁর জন্য নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিন ধরেই গোপালগঞ্জের আলেম সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করে তিনি দক্ষতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। বিশেষ করে খতমে নবুওয়ত আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা ছিল ধারাবাহিক, সাহসী ও প্রশংসনীয়। ঢাকার অভিজাত এলাকায় তিনি গড়ে তুলেছেন খতমে নবুওয়ত মারকায, যা ইসলামী আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও রয়েছে মুফতি শুয়াইব ইবরাহীম হাফিযাহুল্লাহর কাজের অভিজ্ঞতা। দাওয়াহ, সংগঠন ও সমাজসংস্কারে তাঁর বাস্তবভিত্তিক অভিজ্ঞতা তাঁকে করেছে আরও পরিপক্ব ও দূরদর্শী।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীরে মজলিস, ইবনে শাইখুল হাদীস-এর নেতৃত্বে ঘোষিত প্রার্থী তালিকায় মুফতি শুয়াইব ইবরাহীমকে গোপালগঞ্জের জন্য একটি “শক্তিশালী তুরুপের তাস” হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আলেম সমাজের ঐক্য, তৃণমূলের সমর্থন এবং আদর্শিক রাজনীতির সমন্বয় তাঁকে নির্বাচনী মাঠে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।
আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে তাই মুফতি শুয়াইব ইবরাহীম নামটি এখন বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই উচ্চারিত হচ্ছে।